ঢাকা বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

নদনদীর পানি বাড়লেও আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই

নদনদীর পানি বাড়লেও আপাতত বন্যার শঙ্কা নেই
×

ছবি- ফোকাস বাংলা

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ০৪:১৮

দেশের প্রধান নদনদীগুলোর কয়েকটিতে পানি বাড়ার প্রবণতা দেখা দিলেও আগামী কয়েক দিনে বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)। গতকাল মঙ্গলবার প্রকাশিত কেন্দ্রটির তিন ও পাঁচ দিনের ডিটারমিনিস্টিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, যমুনা, পদ্মা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকার বিভিন্ন পয়েন্টে পানির উচ্চতা বাড়ছে। তবে সব ক্ষেত্রেই পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর পানি ২৫ দশমিক ৬১ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছে, যা বিপৎসীমা ২৬ দশমিক ০৫ মিটারের নিচে রয়েছে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও সিলেট ও সুনামগঞ্জে বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সিলেট পয়েন্টে সুরমা নদীর পানির উচ্চতা ৯ দশমিক ৫৪ মিটার এবং সুনামগঞ্জ পয়েন্টে ৭ দশমিক ০৬ মিটার। আগামী কয়েক দিনে এ দুটি নদীর পানি আরও কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টেও পানি কিছুটা বেড়েছে। ফুলছড়ি পয়েন্টে নদীর পানির উচ্চতা রয়েছে ১৮ দশমিক ৬১ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ১৯ দশমিক ৩৫ মিটার। অন্যদিকে, পদ্মা নদীর গোয়ালন্দ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ৬ দশমিক ১০ মিটার, যা বিপৎসীমা ৮ দশমিক ২০ মিটারের নিচে। ভাগ্যকূল পয়েন্টে পানি রয়েছে ৩ দশমিক ৮৯ মিটারে, যেখানে বিপৎসীমা ৫ দশমিক ৮৫ মিটার।

দক্ষিণাঞ্চলেও নদনদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচে রয়েছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর পানি বিপৎসীমা ৪ দশমিক ১৫ মিটারের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৯৪ মিটার নিচে অবস্থান করছে। একইভাবে বান্দরবানে সাঙ্গু নদীর পানিও বিপৎসীমার অনেক নিচে রয়েছে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা অববাহিকার কিছু পয়েন্টে পানির উচ্চতা আরও বাড়তে পারে। তবে তা বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা খুবই কম। দেশের অধিকাংশ নদনদীর পানি বিপৎসীমার নিচে থাকায় আপাতত বন্যার কোনো ঝুঁকি নেই। তবে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ও অন্যান্য প্রাকৃতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের ওপর নদনদীর পানির প্রবণতা নির্ভর করায় পরিস্থিতিতে কিছু অনিশ্চয়তা থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

আরও পড়ুন

×