চীনে এক বছর পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন নর্থ সাউথের নৃবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | ০৫:৪৩
চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষাবর্ষ পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ লক্ষ্যে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২+১+১ কাঠামোর একটি যৌথ স্নাতক প্রোগ্রাম চালু হয়েছে। প্রোগ্রামটির আওতায় শিক্ষার্থীরা বৃত্তি নিয়ে চীনে পড়ার সুযোগ পাবেন।
গত ২৪ অক্টোবর চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডংলু ক্যাম্পাসে ‘চীন ও দক্ষিণ এশিয়া: সভ্যতা ও সংযোগ’ শীর্ষক দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ প্রোগ্রামের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। এ সময় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়। এতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক নাসার ইউ. আহমেদ এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ইয়াং শাওজুন স্বাক্ষর করেন।
২+১+১ কাঠামোর এ প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা প্রথম দুই বছর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন। তৃতীয় বছর চীনের কুনমিংয়ে ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করবেন। চতুর্থ ও শেষ বছর আবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে পড়াশোনা শেষ করবেন।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসএস ইন অ্যানথ্রোপোলজি প্রোগ্রামে নৃবিজ্ঞানের তত্ত্ব, মাঠকর্ম এবং সংস্কৃতি, পরিচয়, অভিবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন, লিঙ্গ ও অসমতাবিষয়ক আন্তবিষয়ক গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাঠ্যক্রমে বিশ্লেষণী চিন্তা, গবেষণার দক্ষতা ও সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়টির তথ্য অনুযায়ী, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৯০ শতাংশ শিক্ষকের পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে। তাঁদের অনেকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
অন্যদিকে নৃবিজ্ঞান শিক্ষায় চীনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়টির নৃবিজ্ঞান শিক্ষা চীনের জাতীয় মূল্যায়নে এ-প্লাস (A+) গ্রেড পেয়েছে। ইউনান প্রদেশের জাতিগত বৈচিত্র্য, সীমান্তবর্তী অঞ্চলের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সামাজিক পরিবর্তন নৃবিজ্ঞান চর্চার জন্য বিশেষ সুযোগ তৈরি করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় দুটির এই অংশীদারত্বের ফলে শিক্ষার্থীরা ভিন্ন একাডেমিক পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি তাঁদের আন্তসাংস্কৃতিক দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক গবেষণার অভিজ্ঞতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি