পাপিয়ার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গীরা নজরদারিতে
×
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১৩:২৩
বহিস্কৃত যুবলীগ নেত্রী শামিমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন চৌধুরীর নামে-বেনামে ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। খুব শিগগিরই সিআইডি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে তাদের ব্যাংক হিসাব চেয়ে চিঠি দেবে। এদিকে পাপিয়ার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত রাঘববোয়ালদের বিদেশ যাত্রা ঠেকাতে নজরদারিতে রেখেছে গোয়েন্দারা। তদন্ত-সংশ্নিষ্টরা বলছেন, পাপিয়ার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অনেক রাঘববোয়াল জড়িত। তারা যাতে বিদেশে পালাতে না পারে সে বিষয়ে খোঁজ রাখা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পাপিয়াসহ যারা অপরাধ করেছেন তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। দেশে ক্যাসিনোবিরোধী ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। গতকাল শুক্রবার আশুলিয়ার গেরুয়া বাজার এলাকায় দারুল উলুম মাবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার একটি ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সিআইডির একজন কর্মকর্তা সমকালকে জানান, তথ্য রয়েছে পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন কোটি কোটি টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করেছেন। তাদের নামে-বেনামে একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এসব ব্যাংক হিসাবে কী পরিমাণ টাকা লেনদেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে লিখিতভাবে জানানো হবে। তারা বিদেশেও পাচার করেছেন বিপুল পরিমাণ টাকা।
তদন্ত-সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, পাপিয়া নরসিংদীর সাধারণ পরিবারের মেয়ে। রাজধানী ঢাকার পাঁচতারকা হোটেলে ছিল তার সাম্রাজ্য। তরুণীদের দিয়ে অবৈধ কার্যক্রম চালাতেন তিনি। মাদক ব্যবসা ও জাল টাকার কারবারিতেও জড়িত ছিলেন। কতিপয় রাজনীতিকের আশীর্বাদপুষ্ট পাপিয়া অবৈধ উপায়ে অর্জিত আয়ে অল্প সময়ের মধ্যে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান। অনেক রাঘববোয়াল জড়িত রয়েছে তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে। এরই মধ্যে তাদের নামধাম তদন্ত-সংশ্নিষ্টদের কাছে প্রকাশ করেছেন পাপিয়া। কিন্তু সেই রাঘববোয়ালদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় গোয়েন্দারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
দীর্ঘদিন পাপিয়ার ওপর নজরদারি রাখার পর তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্যপ্রমাণ পায় র্যাব। এর পরই গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহির্গমন গেট থেকে তাকে র্যাব গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে তার স্বামী সুমন ও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। পাপিয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে র্যাব মামলা করে। এই মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করছে। বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর থানায় র্যাবের দায়ের করা মামলায় পাপিয়া-সুমন ১৫ দিনের রিমান্ডে আছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, পাপিয়াসহ যারা অপরাধ করেছেন তাদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। দেশে ক্যাসিনোবিরোধী ও দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। গতকাল শুক্রবার আশুলিয়ার গেরুয়া বাজার এলাকায় দারুল উলুম মাবিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার একটি ভবন উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। সিআইডির একজন কর্মকর্তা সমকালকে জানান, তথ্য রয়েছে পাপিয়া ও তার স্বামী সুমন কোটি কোটি টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে লেনদেন করেছেন। তাদের নামে-বেনামে একাধিক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। এসব ব্যাংক হিসাবে কী পরিমাণ টাকা লেনদেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে লিখিতভাবে জানানো হবে। তারা বিদেশেও পাচার করেছেন বিপুল পরিমাণ টাকা।
তদন্ত-সংশ্নিষ্টরা জানিয়েছেন, পাপিয়া নরসিংদীর সাধারণ পরিবারের মেয়ে। রাজধানী ঢাকার পাঁচতারকা হোটেলে ছিল তার সাম্রাজ্য। তরুণীদের দিয়ে অবৈধ কার্যক্রম চালাতেন তিনি। মাদক ব্যবসা ও জাল টাকার কারবারিতেও জড়িত ছিলেন। কতিপয় রাজনীতিকের আশীর্বাদপুষ্ট পাপিয়া অবৈধ উপায়ে অর্জিত আয়ে অল্প সময়ের মধ্যে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান। অনেক রাঘববোয়াল জড়িত রয়েছে তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে। এরই মধ্যে তাদের নামধাম তদন্ত-সংশ্নিষ্টদের কাছে প্রকাশ করেছেন পাপিয়া। কিন্তু সেই রাঘববোয়ালদের নাম-পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় গোয়েন্দারা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
দীর্ঘদিন পাপিয়ার ওপর নজরদারি রাখার পর তার অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্যপ্রমাণ পায় র্যাব। এর পরই গত ২২ ফেব্রুয়ারি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বহির্গমন গেট থেকে তাকে র্যাব গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে তার স্বামী সুমন ও দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা বিদেশে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। পাপিয়া নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে র্যাব মামলা করে। এই মামলা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করছে। বিমানবন্দর ও শেরেবাংলা নগর থানায় র্যাবের দায়ের করা মামলায় পাপিয়া-সুমন ১৫ দিনের রিমান্ডে আছেন।
- বিষয় :
- পাপিয়া
