সমকালীন প্রসঙ্গ
নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে অর্থনীতির পরীক্ষা
রাজু আলীম
রাজু আলীম
প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬ | ২১:০৬
বাংলাদেশের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট এমন এক সময় সামনে আসছে, যখন অর্থনীতি শুধু পরিসংখ্যানগত চাপে নয়, আস্থার সংকটেও আক্রান্ত। গত এক দশকে দেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা দেখিয়েছে, বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, রপ্তানি বেড়েছে, মাথাপিছু আয়ও কাগজে-কলমে উন্নতির গল্প বলেছে। কিন্তু একই সময়ে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ক্রমশ ব্যয়বহুল হয়েছে, আয় ও সম্পদের বৈষম্য বেড়েছে, ব্যাংকিং খাত দুর্বল হয়েছে এবং বাজারে অনিশ্চয়তা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। ফলে নতুন সরকারের প্রথম বাজেটকে শুধু আয়-ব্যয়ের হিসাব হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি আসলে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক দর্শনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা।
এই বাজেট নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা যেমন বড়, বাস্তব সীমাবদ্ধতাও তেমন কঠিন। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে যে রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছে, তার কেন্দ্রে রয়েছে ‘মানুষকেন্দ্রিক অর্থনীতি’। অর্থাৎ শুধু প্রবৃদ্ধির হার নয়, সেই প্রবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবনে কতটা স্বস্তি আনছে, সেটিকেই মূল বিবেচনায় আনার কথা বলা হচ্ছে। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই বক্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ গত কয়েক বছরে দেশের অর্থনীতিতে যে ধরনের প্রবৃদ্ধি হয়েছে, তার সুফল সমাজের সব স্তরে সমানভাবে পৌঁছায়নি। শহুরে মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, নিম্নআয়ের মানুষ খাদ্য ব্যয়ে চাপে পড়েছে, আর তরুণদের একটি বড় অংশ শিক্ষিত হয়েও কাঙ্ক্ষিত কর্মসংস্থান পায়নি। ফলে এবারের বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে—কীভাবে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা যায়।
বর্তমানে দেশের অর্থনীতি একই সঙ্গে প্রবৃদ্ধির চাপ, মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং বিনিয়োগ স্থবিরতার মুখোমুখি। গত এক দশকে বাংলাদেশ উচ্চ প্রবৃদ্ধির অর্থনীতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিসরে আলোচিত হলেও বর্তমানে সেই প্রবৃদ্ধির কাঠামোগত সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট হয়ে উঠছে। অর্থনীতির ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা দুর্বলতা এখন রাজস্ব, ব্যাংকিং, বিনিয়োগ ও বাজারব্যবস্থায় বহুমাত্রিক সংকট তৈরি করেছে। ফলে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট শুধু একটি আর্থিক নথি নয়; এটি হবে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক দর্শন, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং সংস্কার বাস্তবায়নের প্রথম বড় পরীক্ষা।
বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন আস্থার সংকট। সাধারণ করদাতা মনে করেন করের টাকা অপচয় হয় বা দুর্নীতির মাধ্যমে হারিয়ে যায়। উদ্যোক্তারা নীতির ধারাবাহিকতা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভোগেন। ব্যাংক আমানতকারীরা আর্থিক খাতকে পুরোপুরি নিরাপদ মনে করেন না। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা প্রশাসনিক ধীরগতি ও নীতিগত অনিশ্চয়তাকে ঝুঁকি হিসেবে দেখেন। ফলে অর্থনীতির বড় প্রশ্ন এখন অর্থের সংকট নয়; বরং আস্থার পুনর্গঠন।
এই বাস্তবতায় নতুন বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হচ্ছে রাজস্ব আহরণ। চলতি অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায়ে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। প্রথম নয় মাসেই প্রায় এক লাখ কোটি টাকার ঘাটতির আলোচনা এসেছে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে। বাংলাদেশের কর-জিডিপি অনুপাত প্রায় ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে, যা দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় কম। ভারতের ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ১৭ শতাংশ, নেপালে ২১ শতাংশের কাছাকাছি এবং ভিয়েতনামে ১৮ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বাড়লেও কর আহরণের সক্ষমতা সেই অনুপাতে বাড়েনি।
বর্তমানে দেশে এক কোটির বেশি টিআইএনধারী থাকলেও নিয়মিত আয়কর রিটার্ন জমা দেন প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ লাখ মানুষ। অর্থাৎ বড় অংশ করব্যবস্থার বাইরে বা নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সম্পদ গোপনের সংস্কৃতি। নগর এলাকায় বিপুল সম্পদ সঞ্চয় হলেও তার বড় অংশ আনুষ্ঠানিক হিসাবের বাইরে থেকে যাচ্ছে। ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে ফ্ল্যাট, জমি ও বাণিজ্যিক সম্পত্তির প্রকৃত বাজারমূল্য এবং সরকারি নিবন্ধনমূল্যের মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। এর ফলে সরকার নিবন্ধন ফি, মূলধনী মুনাফা কর এবং সম্পদ কর—সব ক্ষেত্রেই রাজস্ব হারাচ্ছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির আরেকটি গভীর সংকট ব্যাংকিং খাত। সরকারি হিসাব অনুযায়ী খেলাপি ঋণের পরিমাণ কয়েক লাখ কোটি টাকা। তবে অর্থনীতিবিদদের একটি অংশ মনে করেন, পুনঃতফসিল ও বিশেষ সুবিধা বিবেচনায় নিলে প্রকৃত ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ আরও বেশি। গত এক দশকে রাজনৈতিক প্রভাব, দুর্বল তদারকি এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সীমিত নিয়ন্ত্রণের কারণে ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত জামানত ছাড়াই ঋণ বিতরণ হয়েছে। কিছু ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে, আবার কিছু ব্যাংক তারল্য সংকটে টিকে আছে কেন্দ্রীয় সহায়তার ওপর।
এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পুনঃঅর্থায়ন প্যাকেজ নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ। সরকার আশা করছে, বন্ধ বা সংকটে থাকা শিল্পকারখানা পুনরায় চালু হবে এবং অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা খুব ইতিবাচক নয়। কোভিড-পরবর্তী প্রণোদনা প্যাকেজের বড় অংশ প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কাছে চলে গিয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে উৎপাদন বা কর্মসংস্থানে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায়নি। ফলে এবারের বড় প্রশ্ন হলো—অর্থ কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে এবং তার জবাবদিহি কতটা নিশ্চিত করা যাচ্ছে।
শিল্প খাতও এখন কঠিন চাপে রয়েছে। তৈরি পোশাক খাত এখনো বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ শতাংশের উৎস। কিন্তু বৈশ্বিক চাহিদা কমে যাওয়া, উচ্চ সুদের হার, জ্বালানি সংকট এবং ডলারের অস্থিরতার কারণে উদ্যোক্তারা নতুন বিনিয়োগে সতর্ক অবস্থানে আছেন। শিল্পঋণের সুদ ১২ থেকে ১৪ শতাংশে পৌঁছে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ অনিশ্চিত হওয়ায় উৎপাদন পরিকল্পনাও ব্যাহত হচ্ছে।
বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি খুব আশাব্যঞ্জক নয়। বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বা এফডিআই দীর্ঘদিন ধরেই জিডিপির তুলনায় কম। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া বা ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে বিনিয়োগ পরিবেশ এখনো দুর্বল বলে বিবেচিত হয়। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা সাধারণত তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেন—নীতির ধারাবাহিকতা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ। বাংলাদেশে প্রায়ই দেখা যায়, বিনিয়োগ অনুমোদনে দীর্ঘ সময় লাগে, নীতিগত ব্যাখ্যায় অস্পষ্টতা থাকে এবং প্রশাসনিক সমন্বয় দুর্বল থাকে। ফলে অনেক বিনিয়োগকারী বিকল্প বাজারে চলে যান।
এই পরিস্থিতিতে ‘ইজ অব ডুইং বিজনেস’ উন্নয়ন শুধু স্লোগান হিসেবে থাকলে চলবে না। অনলাইন লাইসেন্সিং, একক বিনিয়োগ জানালা, দ্রুত বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তি এবং ডিজিটাল প্রশাসন বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা জরুরি। কারণ বিনিয়োগকারীরা শুধু বর্তমান নীতি দেখেন না; তারা দেখেন আগামী পাঁচ বা দশ বছরে সেই নীতির স্থায়িত্ব থাকবে কি না।
দেশের অর্থনীতির আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কয়েক বছর আগে যেখানে রিজার্ভ ৪৫ বিলিয়ন ডলারের ওপরে ছিল, সেখানে বর্তমানে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। একই সময়ে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ বাড়ছে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি, খাদ্য ও শিল্প কাঁচামালের কারণে ডলারের ওপর চাপ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। রেমিট্যান্স এখনো অর্থনীতির বড় ভরসা হলেও হুন্ডির কারণে বৈধ চ্যানেলে প্রবাহ প্রত্যাশার তুলনায় কম।
রপ্তানি বৈচিত্র্য না বাড়াতে পারলে এই সংকট আরও বাড়তে পারে। বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর অতিনির্ভরতা অর্থনীতিকে ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে। এলডিসি উত্তরণের পর বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। ফলে ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষিপ্রক্রিয়াজাত পণ্য, চামড়া, জাহাজ নির্মাণ ও হালকা প্রকৌশল খাতে দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সহায়তা প্রয়োজন।
কৃষি খাত এবারের বাজেটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত। বৈশ্বিক খাদ্য অনিশ্চয়তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আমদানিনির্ভর খাদ্যব্যবস্থার ঝুঁকির কারণে কৃষি এখন শুধু খাদ্য উৎপাদনের বিষয় নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। কিন্তু কৃষকের উৎপাদন ব্যয় দ্রুত বেড়েছে। সার, ডিজেল, বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে লাভ কমছে। ফলে কৃষি ভর্তুকি, সহজ কৃষিঋণ এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
একই সঙ্গে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির কার্যকারিতা বাড়াতে হবে। বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বরাদ্দ বাড়লেও প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব, তথ্যের দুর্বলতা এবং সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক দরিদ্র মানুষ সুবিধা পান না, আবার অনেকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে তালিকাভুক্ত হন। ডিজিটাল ডাটাবেজ ও পরিবারভিত্তিক তথ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা গেলে এই খাতের কার্যকারিতা বাড়তে পারে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বড় সংকট দক্ষতার ঘাটতি। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা অনেক তরুণ শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জন করতে পারছেন না। ফলে শিক্ষিত বেকারত্ব বাড়ছে। শিল্প ও শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় না থাকলে এই সংকট আরও গভীর হবে। স্বাস্থ্য খাতে আবার মানুষের ব্যক্তিগত ব্যয় অত্যন্ত বেশি। অনেক পরিবার চিকিৎসা ব্যয়ের কারণে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়ে। ফলে স্বাস্থ্যসেবাকে সামাজিক সুরক্ষার অংশ হিসেবে দেখতে হবে।
জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতেও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন প্রয়োজন। গত কয়েক বছরে বড় অবকাঠামো প্রকল্প অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনলেও সব প্রকল্প অর্থনৈতিকভাবে সমান কার্যকর নয়। এখন প্রয়োজন স্থানীয় অর্থনীতিকেন্দ্রিক অবকাঠামো—গ্রামীণ সড়ক, কোল্ড স্টোরেজ, পানি ব্যবস্থাপনা, নগর গণপরিবহন এবং কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি।
সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে বাস্তবায়ন সক্ষমতা। বাংলাদেশে বাজেট ঘোষণার চেয়ে বাস্তবায়নের দুর্বলতা বেশি আলোচিত। প্রকল্প বিলম্ব, ব্যয় বৃদ্ধি, দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতা দীর্ঘদিনের সমস্যা। ফলে এবারের বাজেটের সফলতা নির্ভর করবে শুধু বড় ঘোষণা বা উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যের ওপর নয়; বরং বাস্তবায়নের দক্ষতা, জবাবদিহি এবং স্বচ্ছতার ওপর।
বাংলাদেশের মানুষ এখন শুধু প্রবৃদ্ধির পরিসংখ্যান শুনতে চায় না। তারা চায় বাজারে স্বস্তি, কর্মসংস্থানে নিরাপত্তা, ব্যবসায় স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা নিশ্চয়তা। নতুন সরকারের প্রথম বাজেট যদি অর্থনীতিতে সেই আস্থার সূচনা করতে পারে, তাহলেই সেটি হবে এই সরকারের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অর্জন।
রাজু আলীম: কবি ও সাংবাদিক
