কর্মসংস্থান বাড়াতে রপ্তানিমুখী শিল্পায়নে মনোযোগ দিতে হবে
ডিসিসিআইর আলােচনায় বক্তারা
গত সােমবার ডিসিসিআই জার্নাল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক পলিসির দ্বিতীয় সংস্করণ এবং ট্যাক্স গাইড ২০২৫-২৬-এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, পিআরআইর চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তার, ডিসিসিআইর সভাপতি তাসকীন আহমেদসহ অন্যরা ফটাে রিলিজ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০৭:১৪
| প্রিন্ট সংস্করণ
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ালে এ আশঙ্কা দূর হবে। এ জন্য রপ্তানিমুখী শিল্পায়নে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। আর রপ্তানি বাড়াতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কার আনার উদ্যোগ নিতে হবে।
গত সোমবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা একথা বলেন। ডিসিসিআই জার্নাল অব বিজনেস অ্যান্ড ইকোনমিক পলিসির দ্বিতীয় সংস্করণ এবং ট্যাক্স গাইড ২০২৫-২৬-এর মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিসিসিআইর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গ্রন্থ দুটোর মোড়ক উন্মোচন করেন। পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ও ডিসিসিআই জার্নালের প্রধান সম্পাদক ড. জায়েদী সাত্তার এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
পিআরআইর চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তার বলেন, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি প্রতিবেদনে দেশে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার কথা উঠে এসেছে, যা বেশ উদ্বেগের বিষয়। সামগ্রিকভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো সম্ভব হলে দারিদ্র্য বৃদ্ধির আশঙ্কা দূরীভূত হবে। এ ক্ষেত্রে রপ্তানিমুখী শিল্পায়নের প্রতি বেশি মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন। সেই সঙ্গে রপ্তানি আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক নীতিমালা সংস্কারের ওপর জোর দেন তিনি।
বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিবিষয়ক নানামুখী কার্যক্রম পরিচালনায় সামগ্রিক অর্থনীতি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে কাজ করার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
এনবিআরের সদস্য জি এম আবুল কালাম কায়কোবাদ বলেন, ঢাকা চেম্বার কর্তৃক প্রকাশিত ট্যাক্স গাইডটি দেশের সব শ্রেণির করদাতাদের অনলাইন কর প্রদান প্রক্রিয়া আরও সহজ করবে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে প্রায় ২০ লাখ করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছেন। এ বছর এ সংখ্যা ৫০ লাখে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, চার দশক ধরে ঢাকা চেম্বার তার সদস্যদের আয়কর, ভ্যাট, কাস্টমস আইনের পরিবর্তন সম্পর্কে অবহিত করার জন্য ‘ডিসিসিআই ট্যাক্স গাইড’ প্রকাশ করে আসছে।
- বিষয় :
- কর্মসংস্থান
