ঢাকা শনিবার, ১৫ আগস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎমন্ত্রীকে চিঠি

গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চায় বিকেএমইএ

গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চায় বিকেএমইএ
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২৬ | ১৯:২১

গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর জুলাই ও আগস্টের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল আগামী ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চেয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। এ জন্য বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

৯ আগস্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জুলাই ও আগস্ট মাসে গ্যাস ও বিদ্যুতের মারাত্মক সংকটের কারণে দেশের নিটওয়্যার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে খোলা সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কারখানাগুলোয় স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারেনি। গ্যাসের ঘাটতির কারণে উৎপাদন সচল রাখতে কারখানাগুলোকে বিকল্প জ্বালানির ওপর নির্ভর করতে হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, অনেক প্রতিষ্ঠান নগদ অর্থে অতিরিক্ত দামে ডিজেল, এলপিজি ও অন্যান্য জ্বালানি সংগ্রহ করেছে। এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি কারখানাগুলোর নগদ অর্থপ্রবাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। উৎপাদন কমে যাওয়া এবং বিকল্প জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যয় একইসঙ্গে বহন করতে হওয়ায় কারখানাগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এ অবস্থায় জুলাই ও আগস্ট মাসের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধ করা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

চিঠিতে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, তৈরি পোশাক খাত দেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস। এ খাতের উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রমের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের কর্মসংস্থান জড়িত। জ্বালানি সংকটের কারণে কারখানাগুলো দীর্ঘ সময় আর্থিক চাপে থাকলে উৎপাদন, রপ্তানি এবং কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখা, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন অব্যাহত রাখা এবং শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষার স্বার্থে সরকারের কাছে এই অনুরোধ জানানো হয়।

সংগঠনটি সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। জ্বালানি সচিব, পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান, তিতাস, ডেসকো, ডিপিডিসি, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে চিঠির অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

×