ছবির গল্প
সাগর বৃষ্টি আর বাবল
ফড়িং মিয়া
প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৫১
| প্রিন্ট সংস্করণ
ছোট্টমোট্ট একটা ফড়িং। বয়স কতো? এই ধরো ৩ বছর ৩ মাস ৩ দিন! ৩ পেরোনো ফড়িংটার নাম আমায়রা। এই ফড়িংটা কার্টুন দেখতে খুব পছন্দ করে। একদিন সে সমুদ্র নিয়ে একটা কার্টুন দেখেছে। তবে কার্টুনের নামটা ভুলে গেছে। সে যাক; তবে কি দেখেছে তা খুব মনে আছে তার। সেই কার্টুনে আমায়রা দেখেছে, সমুদ্রে অনেক অনেক নীল রঙের পানি। এই পানি দেখে নীল রং তার প্রিয় হয়ে গিয়েছে। তাই সমুদ্র তার ভালো লাগে। নীল রঙের পানিও ভালো লাগে। আর ভালো লাগে নীল সমুদ্রে থাকা লাল, বেগুনি আর গোলাপি রঙের মাছ। সমুদ্রে শার্ক থাকে, স্টার ফিশ থাকে, সাপও থাকে। সমুদ্রে সাপ থাকে? থাকে তো! আমায়রার সমুদ্রে বড় একটা কচ্ছপও থাকে। থাকে মৎস্যকুমারীও। সেই মৎস্যকুমারী আবার মুখে মেকআপ দেয়, হাতে চুড়ি পরে, গলায় মালা পরে, কানে পরে দুল। এমনকি সে নখে নেইল পলিশও দেয়। এসব দিয়ে সেজেগুজে মৎস্যকুমারী সাঁতার কাটে। সমুদ্রতটে ঘোড়া থাকে। ঘোড়ায়ও চড়ে মৎস্যকুমারী! আর সমুদ্রের এই সব মাছেরা বড় বড় দাঁত ও মুখ দিয়ে অনেক অনেক বাবল ফোলায়। মৎস্যকুমারীও সাঁতার কাটতে কাটতে অনেক বাবল ফোলায়। প্রথম ছবিতে দেখো তাদের সঙ্গে কত্তো কত্তো বাবল!
আরেকটা ছবি বৃষ্টির। এই ছবি দেখে মনে হয়, বৃষ্টি এলেই আমায়রা তার আকাশে গোলাপি রঙের অনেক মেঘ উড়তে দেখে। তারপর আকাশ থেকে যখন বৃষ্টি পড়ে সেগুলো নানান রঙের হয়ে যায়! কখনো সবুজ রঙের বৃষ্টি, কখনো বেগুনি, কালো, হলুদ আর নীল রঙের বৃষ্টি। বৃষ্টির নীল পানিতে ভিজে ছোট্ট আমায়রার ছাতা, মুখ ও পোশাকও নীল হয়ে যায়। লাল হয়ে যায় চুল আর কমলা হয়ে যায় কান। বৃষ্টির সেই রঙিন ফোঁটাগুলো মাটিতে পড়ে মাটির সাথে মিশে লাল হয়ে যায়। এমন রঙিন বৃষ্টি অনেক ভালো লাগে ছোট্টমোট্ট আমায়রা পাখিটার। ব্যাঙেরও তো বৃষ্টি অনেক ভালো লাগে। এজন্যই ঝুমবৃষ্টিতে ব্যাঙের সাথে লাফায় ছোট্ট আমায়রা।
আমায়রা ফড়িংটার পুরো নাম-আরবিশা আসাদ আমায়রা। থাকে ঢাকার নাখাল পাড়ায়। তবে এখনও স্কুলে যেতে শুরু করেনি। আমায়রা ফড়িংটার মতো তোমরাও এমন মজার ছবি এঁকে পাঠাতে পারো। বলতে পারো ছবির গল্পও। আমরা সব ফড়িংকে তা জানিয়ে দেবো।
- বিষয় :
- গল্প