ঢাকা রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬

‘ভ্যাকসিন গবেষণায় নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে চীন’

‘ভ্যাকসিন গবেষণায় নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছে চীন’
×

সিনেটর সদস্য রিক স্কট

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২০ | ০৭:৩১

ট্রাম্প বারবার বলে আসছেন, করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চীনের উহানে। আর এটার উদ্ভাবক হচ্ছেন চীনের গবেষকরা। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ, মন কষাকষি। চীন যতই অস্বীকার করছে, ট্রাম্পের দাবি ততই জোরালো শোনাচ্ছে।  এমনকী নিজদেশের গোয়েন্দারা পর্যন্ত যেখানে বলেছেন, করোনাভাইরাস মনুষ্যসৃষ্ট নয়, কিন্তু ট্রাম্পের এক কথা। চীনই তৈরি করেছে করোনা।

এবার ট্রাম্পের সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন তারই দলের এক সদস্য সিনেটর রিক স্কট। তবে স্কটের দাবি অন্য রকম। তিনি বলেছেনে, চীন করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন তৈরির গবেষণা কাজে নাশকতা চালাচ্ছে। ভ্যাকসিন তৈরির গবেষণা ব্যর্থ করে দিতে চায় তারা।

সম্প্রতি বিবিসির একটি প্রোগ্রামে এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। বলেছেন, আমাদের এই ভ্যাকসিনের কাজ শেষ করতেই হবে। কিন্তু আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে, কমিউনিস্ট চীন নাশকতা চালিয়ে আমাদের ব্যর্থ করে দিতে চায় অথবা এটা গতি টেনে ধরতে চায়। গোয়েন্দা তথ্য থেকে এটি আমরা জানতে পেরেছি।

তিনি বলেন, যদি আমরা অথবা যুক্তরাজ্য বা ইউরোপের যে কেউই যদি প্রথমে এই ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে ফেলে তাহলে সেটি পুরো বিশ্বকে দিয়ে দেয়া হবে কিন্তু চীন সেটি করবে না।

চীন যা করছে, তাকে হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেন স্কট।  তার দাবি চীন করোনা নিয়ে মিথ্যে কথা বলছে। সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। নইলে যুক্তরাষ্ট্র ভ্যাকসিন তৈরিতে আরো ভাল প্রস্তুতি নিজৎতে পারত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সংক্রমণের ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কার্যকরী কোনো চিকিৎসা বের করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, অন্তত ৭০টিরও বেশি ভ্যাকসিন গবেষণা চলছে বিশ্ব জুড়ে। এর মধ্যে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীন।

এদিকে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং জানিয়েছেন, দেশটি যদি সবার আগে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে পারে তাহলে বিশ্বে সেটি বিতরণ করা হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে সেটি পায় তা নিশ্চিত করা হবে।

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি চীনের উহান থেকে করোনার উৎপত্তি হয়। তবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রকে বিষয়টি জানায় চীন সরকার। যদিও এই ভাইরাস বড় আকারে ছড়িয়ে গেছে ততদিনে।

এখন পর্যন্ত করোনায় মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৯ লাখেরও বেশি লোক। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই মারা গেছেন এক লাখ ১০ হাজারের কাছাকাছি মানুষ। সে তুলনায় চীনের মৃতের সংখ্যা মাত্র ৪ হাজার ৬৩৮ জন।

আরও পড়ুন

×