ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের মামলা 

মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের মামলা 
×

মাসদার হোসেন।

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৮ আগস্ট ২০২৬ | ১০:৪২

সাবেক জেলা জজ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাসদার হোসেনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. সেফাতুল্লাহর আদালতে এ মামলার আরজি জমা দেওয়া হয়। 

নূর প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বেপারীর পক্ষে তাঁর প্রতিনিধি জামাল হোসাইন এ মামলার আবেদন করেন।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের জারিকারক নাসির উদ্দিন।

মামলার অন্য দুই আসামি হলেন ফাতহুল বারী ও আশরাফুল ইসলাম।

এর আগে চলতি বছর মাসদার হোসেনের বিরুদ্ধে মক্কেলের সোয়া কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা মেলায়’ গত এপ্রিলে মাসদার হোসেনের আইন পেশার সনদ সাময়িকভাবে স্থগিত করে বার কাউন্সিল।

গতকাল হওয়া মামলার আরজিতে বলা হয়, নুরুল ইসলাম বেপারী নিয়মিত করের টাকা পরিশোধ করে আসছিলেন। তবে হিসাবে কিছু অসামঞ্জস্য ধরা পড়ায় ২০২২ সালের ১৭ মে রাষ্ট্র বাদী হয়ে তাঁর কোম্পানির বিরুদ্ধে কমিশন, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট যশোর কার্যালয়ে এক কোটি দুই লাখ ৬৯ হাজার ৭২২ টাকার অভিযোগ করে। এর বিরুদ্ধে আপিলের জন্য ফাতহুল বারী ও আশরাফুল ইসলাম বাদী নুরুল ইসলামকে মাসদার হোসেনের চেম্বারে নিয়ে যান। মাসদার হোসেন তাঁকে জানিয়ে দেন, করের টাকা শূন্য করতে এক কোটি ১০ লাখ টাকা লাগবে।

আসামিদের সঙ্গে বাদীর চুক্তি হয়, এক কোটি ১০ লাখ টাকা আসামিদের দিলে তারা করের টাকা শূন্য করে দেবেন। এতে আর কোনো টাকা সরকারের কোষাগারে দিতে হবে না।  

সেই অনুযায়ী ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৭ জুন পর্যন্ত চার দফায় নুরুল ইসলাম আসামিদের এক কোটি টাকার চেক দেন। কিন্তু এরপর থেকে আসামিরা নানাভাবে প্রতারণা করতে থাকেন।

পরে নুরুল ইসলাম মামলার খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে ৪২ লাখ ৯ হাজার ২৭৩ টাকা জরিমানাসহ আদেশ হয়েছে। এরপর থেকে টাকা ফেরত চেয়ে আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। তবে তারা জানিয়ে দেন, টাকা ফেরত দেবেন না। গত ১২ জুলাই নুরুল ইসলাম আসামিদের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা টাকা দেবেন না জানিয়ে দেন।

আরও পড়ুন

×