ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ডায়েটের ক্ষেত্রে ডিটক্স ওয়াটার কতটা জরুরি 

ডায়েটের ক্ষেত্রে ডিটক্স ওয়াটার কতটা জরুরি 
×

প্রতীকী ছবি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬ | ১৪:৪২

সুস্থ থাকতে আজকাল অনেকেই ডায়েটের পাশাপাশি ডিটক্স ওয়াটার খাচ্ছেন। ডায়েটিশিয়নরাও অনেক সময়ে এই পানীয় খাওয়ার পরামর্শ দেন। আসলে এই পানীয় কতটা উপকারী তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন আছে। ডিটক্স ওয়াটার মূলত এমন এক ধরনের পানীয়, যেখানে সাধারণ পানির সঙ্গে বিভিন্ন ফল, সবজি বা ভেষজ উপাদান মিশিয়ে রাখা হয়। এর ফলে এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি হজমে সাহায্য করে । সেই সঙ্গে শরীরের ভেতরে জমে থাকা কিছু টক্সিন বের করতেও সহায়তা করে।

ডায়েটের ক্ষেত্রে ডিটক্স ওয়াটার বিশেষ ভাবে উপকারী হতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, যারা ওজন কমাতে চান বা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে চান, তাদের জন্য এটি একটি ভালো অভ্যাস। তবে মনে রাখতে হবে, ডিটক্স ওয়াটার কোনও জাদুকরী পানীয় নয়। সুষম খাবার ও নিয়মিত ব্যায়ামের সঙ্গে মিলিয়ে এটি খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

ডায়াটেশিয়ানরা বলছেন, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে প্রায় এক থেকে দু’ লিটার পর্যন্ত ডিটক্স ওয়াটার পান করতে পারেন। তবে সারাদিন শুধু ডিটক্স ওয়াটার খাওয়ার পরিবর্তে সাধারণ পানির সঙ্গে এটি ভারসাম্য করে খাওয়া ভালো। বিভিন্ন ধরনের উপাদান দিয়ে ডিটক্স পানীয় তৈরি করতে পারেন। যেমন- লেবু ও পুদিনা মিশ্রিত পানি শরীরকে সতেজ রাখে এবং হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শসা ও লেবুর ডিটক্স ওয়াটার শরীর ঠান্ডা রাখে। এটি ত্বকের জন্য ভালো। আপেল ও দারচিনি দিয়ে তৈরি ডিটক্স ওয়াটার মেটাবলিজ়ম বাড়াতে সহায়তা করে। 

ডিটক্স ওয়াটার খাওয়ার সঠিক সময়ও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস ডিটক্স ওয়াটার পান করেন। এতে শরীর দ্রুত হাইড্রেটেড হয় এবং দিন শুরু করতে সতেজ লাগে। ডিটক্স ওয়াটার তৈরির পদ্ধতিও খুব সহজ। একটি বোতল বা জারে পরিষ্কার পানি নিয়ে তাতে পছন্দমতো ফল বা সব্জি যেমন লেবু, শসা, পুদিনা পাতা বা আপেলের টুকরো দিয়ে কয়েক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। সাধারণত ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা রাখলে সেই উপাদানের স্বাদ পানিতে ভালোভাবে মিশে যায়।

আরও পড়ুন

×