ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সমকাল এক্সপ্লেইনার

ন্যানো বানানায় রেট্রো শাড়ি, ট্রেন্ড নাকি ক্ল্যাসিকে ফেরা

ন্যানো বানানায় রেট্রো শাড়ি, ট্রেন্ড নাকি ক্ল্যাসিকে ফেরা
×

জেমিনি দিয়ে তৈরি ও ন্যানো বানানা দিয়ে সম্পাদিত ছবি।

সাদিকুর রহমান

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ১৫:২৪ | আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ২০:০২

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে নিজের ছবি সম্পাদনা করে ট্রেন্ডে গা ভাসানো কি শেষ? নাকি এখনো ভাবনা-চিন্তার পর্যায়ে আছে? যে অবস্থাতেই থাকুক না কেন, গত কয়েক সপ্তাহের পর্যালোচনায় সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ড এড়িয়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা খুব কমই দেখা গেছে। 

এখানেই প্রশ্ন জাগছে, একেক সময় একেক ট্রেন্ডে গা ভাসিয়ে ব্যক্তি পর্যায়ে কী লাভ হয়? এর মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক ভাবমূর্তি কিংবা অর্থনৈতিক প্রভাব আছে কি? 

বর্তমান ট্রেন্ড সম্পর্কে যদি এখনো বিস্তারিত না জেনে থাকেন তাহলে আপনার জন্য বলে রাখা ভালো- গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এআই দিয়ে নিজের ছবি এডিট করে শেয়ার করছেন অনেকে। এসব পোস্টের হ্যাশট্যাগে লেখা হচ্ছে ‘ন্যানো বানানা’, ‘রেট্রো শাড়ি’, ‘থ্রিডি ফিগার’ কিংবা ‘প্রফেশনাল হেডশট’। ছবিগুলো সম্পাদনা করা হচ্ছে গুগলের জেমিনি এআইয়ের ন্যানো বানানা ফিচার দিয়ে।

কেন নতুন ট্রেন্ড তৈরি হচ্ছে
মানুষের সহজাত একটি প্রবৃত্তি হলো অনুসরণ ও অনুকরণ করা। সেই পালে নতুন করে হাওয়া দিচ্ছে এআইভিত্তিক কিছু সাইট ও প্ল্যাটফর্ম। এতে নতুন সংযোজন জেমিনির ছবি সম্পাদনার ফিচারটি। এই ফিচারের মাধ্যমে সাধারণ ছবি মুহূর্তেই বদলে যাচ্ছে রেট্রো শাড়ি, ৮০ এর দশকের নায়িকাদের লুক, থ্রিডি ফিগার কিংবা প্রফেশনাল হেডশটে। 

ঢাকার তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে চট্টগ্রামের ইনফ্লুয়েন্সার, সিলেটের শিক্ষার্থী—সবাই নিজের ছবি সম্পাদনা করে দেখার চেষ্টা করছেন কেমন লাগে এই নতুন ডিজিটাল সাজ।

পুরনোর মিশেলে ডিজিটাল সাজ। ছবি: জেমিনি দিয়ে বানানো

আগস্টের শেষ দিকে গুগল তাদের জেমিনি অ্যাপে এই ফিচার চালু করে। এরপর থেকেই বিভিন্ন দেশে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের নজরে আসে ফিচারটি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশেও ঢেউ তুলেছে। একেকজন এআই দিয়ে সম্পাদিত ছবি দিয়ে নিজের প্রোফাইলে বদলাচ্ছেন, স্টোরিতে দিচ্ছেন। 

সামাজিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানুষ ট্রেন্ড ফলো করে মূলত তিন কারণে। প্রথমত, অন্তর্ভুক্তির অনুভূতি। অর্থ্যাৎ, সবাই করছে, তাই আমিও করব। দ্বিতীয়ত, সৃজনশীলতা ও আত্মপ্রকাশ। বাস্তবে সম্ভব নয় এমন সাজ বা পরিবেশেও নিজেকে দেখতে চায় মানুষ। এবং তৃতীয়ত, কৌতূহল ও মজা। নতুন কিছু এলে সেটি ট্রাই করতেই হবে—এটিই যেন ডিজিটাল যুগের সহজাত প্রবণতা।

এর সঙ্গে আছে ফিয়ার অব মিসিং আউট বা ফোমো। যেটি দ্বারা বোঝায়- আমি কিছু মিস করে ফেললাম না তো। ফলে ইনফ্লুয়েন্সাররা কোনো কিছু করলে সাধারণ মানুষও তা থেকে নিজেকে পিছিয়ে রাখতে চান না। আর এই প্রবণতাই একেকটি নতুন নতুন ট্রেন্ডের জন্ম দিচ্ছে।

‘আমি নকল কিন্তু দেখতে ভালো’
রাজধানীর খিলগাঁও এলাকায় স্বামী, সন্তান ও শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে থাকেন নাহার দিলরুবা। সম্প্রতি ন্যানো বানানা দিয়ে নিজের ছবি সম্পাদনা করে ফেসবুকে আপলোড দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, যে ট্রেন্ড আগস্টের শেষে শুরু হয়েছে, সেটিতে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে এসে গা ভাসানোর কারণ কী?

দিলরুবার উত্তর- ‘ফেসবুকে বন্ধু তালিকায় থাকা অধিকাংশ মানুষই নিজেদের এমন ছবি শেয়ার দিয়েছে। এটা দেখে আমারও ছবি এডিট করার ইচ্ছা হয়। জাস্ট কিউরিসিটি (কৌতুহল)।’

রেট্রো শাড়িতে বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা। ছবি: সংগৃহীত

ফেসবুকে দিলরুবা যে ছবিটি শেয়ার দিয়েছেন, তাতে দেখা যাচ্ছে তিনি শ্রেণি কক্ষে দাঁড়ানো। পাশের আসনে বসে আছে শিক্ষার্থীরা। দিলরুবার কাছে জানতে চাওয়া হয়, কয়বার এমন ছবি জেমিনিতে আপলোড করে সম্পাদনা করেছেন? উত্তর আসে- ‘তিনটা ছবি এডিট করেছি। পুরোপুরি বাস্তবের মতো হয়নি, কিছুটা নকল। যেন আমার মতো দেখতেই কাউকে দেখছি। তবে ছবিগুলো ভালো লেগেছে। এরপর ফেসবুকে শেয়ার দিয়েছি।’

এআই প্ল্যাটফর্মে ছবি আপলোড করায় অনেকে তথ্য বেহাতের ঝুঁকি দেখেন। আপনার কাছে এমনটা মনে হয়নি? দিলরুবা বলেন, ‘ভেবেছিলাম। মনে হয়েছে আমার তথ্য এআই নিয়ে নিচ্ছে। পরে অ্যাপটি (জেমিনি) আনইনস্টল করেছি।’

কেন রেট্রো শাড়ি, থ্রিডি ফিগার
ন্যানো বানানা গুগলের জেমিনি মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি টুল মাত্র। যেটি ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রম্পট অনুযায়ী ছবি সম্পাদনা করতে সক্ষম। অর্থাৎ, ফটোশপ বা জটিল এডিটিং অ্যাপ ব্যবহারের পরিবর্তে ব্যবহারকারীরা শুধু একটি পরিষ্কার ছবি আপলোড করবেন এবং তাদের ইচ্ছেমতো কী পরিবর্তন চান তা লিখে জানাবেন। এখানেই প্রশ্ন জাগে, বাংলাদেশের ব্যবহারকারীরা রেট্রো শাড়ি ও থ্রিডি ফিগার বানানোর দিকে ঝুঁকলেন কেন?

কারণ জানতে জেমিনিকেই প্রশ্নটি জিজ্ঞেস করেছিলাম। উত্তরে দুটি কারণ উল্লেখ করেছে। একটি নস্টালজিয়া অন্যটি সিনেমাটিক লুক। জেমিনি বলেছে, রেট্রো শাড়ির ছবিগুলো মূলত পুরোনো দিনের বলিউড বা বাংলা সিনেমার পোস্টার থেকে অনুপ্রাণিত। এই ছবিগুলোতে নব্বই দশকের চটকদার রঙ, শিফন শাড়ি এবং ড্রামাটিক লাইটিং ব্যবহার করা হয়। এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে এক ধরনের নস্টালজিয়া তৈরি করে এবং তাদের শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। এ ছাড়া, এই ধরনের ছবিগুলোতে একটি সিনেমাটিক বা চলচ্চিত্রসুলভ ভাব থাকে, যা সাধারণ সেলফির চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়। ব্যবহারকারীরা নিজেদেরকে সিনেমার নায়ক বা নায়িকার মতো দেখতে পেয়ে উৎসাহিত হন এবং ছবিগুলো শেয়ার করতে পছন্দ করেন।

থ্রিডি ফিগারে বানানো ছবি। জেমিনি

আর থ্রিডি ফিগারের উন্মাদনা প্রসঙ্গে জেমিনি বলেছে, এই ফিগারগুলো দেখতে অনেক বাস্তবসম্মত লাগে। মনে হয় যেন এটি কোনো শো-কেসে রাখা খেলনা। সাধারণ সফটওয়্যার দিয়ে এমন ছবি বানানো বেশ কষ্টের। কিন্তু ন্যানো বানানায় এটি একেবারে সহজ। এই সহজলভ্যতাই মানুষকে আকৃষ্ট করেছে।

জেমিনিতে ছবি আপলোড করতে হলে জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করতে হয়। এই জিমেইল অ্যাকাউন্ট তৈরির সময় জন্ম সাল উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। তাই জেমিনির কাছে জানতে চাওয়া হয়, ন্যানো বানানায় কোন বয়সীরা রেট্রো শাড়ি ও থ্রিডি ফিগারের প্রম্পট বেশি দিয়েছে? এর উত্তর- তরুণ প্রজন্ম, যাদের বয়স ৩০ এর কোঠায় এবং যারা সামাজিক মাধ্যমে বেশি সক্রিয়।

নস্টালজিয়া নাকি ক্ল্যাসিকে ফেরা
ঢাকার শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্রাজ্যুয়েট কলেজে নৃবিজ্ঞান পড়ান মাহফুজ সরকার। বেশ কয়েক বছর ধরেই সামাজিক মাধ্যমের ট্রেন্ডগুলোর দিকে নজর রাখছেন তিনি। মাহফুজ বলেন, সামাজিক মাধ্যমে ছবিকেন্দ্রিক ট্রেন্ডগুলোর বেশিরভাগই ফ্যাশন ঘিরে। বাস্তব জীবনে মানুষ পোশাকের যে ফ্যাশন অনুসরণ করছে, সামাজিক মাধ্যমে এর বিপরীত অবস্থায় নিজেকে দেখতে চায়। এখান থেকেই বর্তমান প্রজন্মের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী ’৮০ বা ’৯০ এর দশকের চরিত্রে নিজেকে দেখতে চায়। তাঁর সরাসরি ওই সময়ের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা নেই। কিন্তু এরপরও সেই সময়ের চরিত্রে নিজেকে দেখতে চাইছে। এখন যারা মধ্যবয়সী তারা এটাকে নস্টালজিয়া বললেও, তরুণদের কাছে এটি কেবল নতুন কিছুতে বুঁদ হওয়ার মতো।

মাহফুজ সরকারের মতে, পুরনো কিছু বহু বছর ধরে টিকে থাকলে সেটিকে ক্ল্যাসিক বলে চিহ্নিত করা হয়। তখন এর এক ধরনের সামাজিক মর্যাদা তৈরি হয়। ফলে অনেকেই এখন ক্ল্যাসিক কিছু ধারণের মাধ্যমে নিজের আলাদা পরিচিতি বা রুচি তৈরি করতে চান। আর এই পরিচিত প্রকাশের বা অন্যের সামনে তুলে ধরার সহজ মাধ্যম হলো ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্ম। 

সৌন্দর্য মূল্যায়ন ও ঝুঁকি
এই ট্রেন্ডের যেমন ইতিবাচক দিক যেমন আছে, তেমনি আছে ঝুঁকিও। ইতিবাচক দিক হলো, মানুষ নতুনভাবে নিজেদের প্রকাশ করছে, একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এমনকি ঐতিহ্যবাহী শাড়ির মতো পোশাক নতুন করে আলোচনায় আসছে। 

তবে সমালোচকরা বলছেন, এতে অবাস্তব সৌন্দর্যের ধারণা ছড়িয়ে পড়ছে, যা তরুণদের মনে চাপ তৈরি করতে পারে। আবার ব্যক্তিগত ছবি এআই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করার ফলে গোপনীয়তা ব্যাহতের ঝুঁকিও আছে। মানুষের ট্রেন্ডে গা ভাসানোর প্রবণতাকে কেউ অসৎ উদ্দেশেও কাজে লাগাতে পারে। 

কেউ কেউ বলছেন, এই ট্রেন্ড থেকে আনন্দ ও আত্মতৃপ্তি মিলছে। এটি যেমন সত্য, তেমনি শঙ্কা জাগানোর মতো বাস্তবতাও আছে। অতিরিক্ত সময় ব্যয় করলে বাস্তব সম্পর্কের জায়গায় ভার্চুয়াল পরিচয়ই বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। আবার সম্পাদিত ছবির সৌন্দর্য, অজান্তেই তরুণ-তরুণীদের মনে সৌন্দর্য বিবেচনার মাপকাঠিতে পরিণত হতে পারে। তখন সে অন্যকেও এমন রূপে দেখতে চাইবে।

অর্থনৈতিক লাভ
এরই মধ্যে অনেক ইউটিউবার কীভাবে রেট্রো শাড়ি বা থ্রিডি ফিগারের ছবি বানাতে হয় তা নিয়ে নিজেদের চ্যানেলে ভিডিও আপলোড দিয়েছেন। যা দেখছেন বহু দর্শক। এতে ট্রেন্ড ব্যাখ্যা করে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। অনেকে এআই ছবি আপলোড করে নিজেদের পেজে ফলোয়ার বাড়াচ্ছেন, বিজ্ঞাপন পাচ্ছেন।

তবে সবচেয়ে বড় বাজিমাত করেছে গুগল। ইয়াহু ফিন্যান্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ন্যানো বানানা চালুর পর ১৫ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে শীর্ষে ওঠে জেমিনি। এর মধ্য দিয়ে জেমিনি প্রথমবারের মতো ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটিকে পেছেনে ফেলেছে। একই অবস্থা অ্যান্ড্রয়ডের প্লে স্টোরেও।

গুগল ট্রেন্ডস অনুযায়ী চ্যাটজিপিটি (লাল) ও জেমিনি (নীল) খোঁজার সাম্প্রতিক প্রবণতা। ছবি: সংগৃহীত

অ্যাপ ম্যাজিকের তথ্য অনুযায়ী, ন্যানো বানানা চালুর আগে জেমিনি মাসে ডাউনলোড হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ। চ্যাটজিপিটি ডাউনলোড হয় ৬ কোটি ৪০ লাখ। ওয়েবে এআই সম্পর্কিত ট্রাফিকের ৬০ শতাংশই ছিল চ্যাটজিপিটির দখলে। তবে ন্যানো বানানার উত্থানের পর জেমিনির মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেটের বাজারমূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাজার মূল্যে এখন অ্যালফাবেটের ওপরে আছে অ্যাপল (৩.৫ ট্রিলিয়ন), মাইক্রোসফট (৩.৮ ট্রিলিয়ন) ও এনভিডিয়া (৪.৩ ট্রিলিয়ন)।

পরের ট্রেন্ডের পূর্বাভাস
সামাজিক মাধ্যমে এর আগে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল জাপানের স্টুডিও ঘিবলির অ্যানিমেটেড চরিত্র। ন্যানো বানানার মাধ্যমে এলো থ্রিডি ফিগার ও রেট্রো শাড়ি। এরপর তাহলে কী? জেমিনির পূর্বাভাস হলো, এআই ট্রেন্ড আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। সেটি হতে পারে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে সাজগোজ, রিয়েল-টাইম লাইভ ভিডিও ফিল্টার, এআই-চালিত ইন্টারেক্টিভ গল্প, মিউজিক বা আর্টের সমন্বয়। 

বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের সময় শর্ত গ্রহণ করতে হয়। অনেকে এসব শর্ত না পড়েই ‘একসেপ্ট’ নির্দেশিকায় চাপ দেন। কোনো কোনো প্ল্যাটফর্ম শর্তগুলোতে তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে তথ্য বিনিময়, নাম, জন্ম সাল ও লোকেশন মজুত করার ব্যাপারে সম্মতি চায়। আবার ছবি থেকে মুখের গঠন, চোখের মতো বায়োমেট্রিক ডেটা সংগ্রহ করে। এসব সংবেদনশীল তথ্য কোনো ডেটাবেসে মজুত হলে তা মুছে ফেলা কঠিন। সুতরাং সামনে নতুন যে ট্রেন্ডই আসুক না কেন, তাতে গা ভাসানোর আগে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা মাথায় রাখাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।  

আরও পড়ুন

×