চট্টগ্রামে মা ও শিশু হাসপাতালের ভেতরেও ঢুকে পড়ে পানি
ছবি: মো. রাশেদ
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২২ | ০৯:০৪ | আপডেট: ১৭ জুন ২০২২ | ০৯:০৪
সামান্য বৃষ্টিপাত হলেই পানিতে ডুবে যায় বন্দরনগরী চট্টগ্রামের নিচু এলাকাগুলো। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। আষাঢ়ের তৃতীয় দিন শুক্রবার চট্টগ্রামে থেমে থেমে বৃষ্টিপাত হয়। তবে দুপুরের দিকে ভারি বৃষ্টিপাত হয়। এই সময় যথারীতি তলিয়ে যায় নগরীর নিচু এলাকাগুলো। পানি ঢুকে পড়ে ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভেতরেও ঢুকে পড়ে পানি। ফলে রোগী, স্বজন ও চিকিৎসকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। জলাবদ্ধতায় বিপাকে পড়েন নগরীর খেটে খাওয়া মানুষ।
চট্টগ্রামের পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ৪০ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ শেখ হারুনুর রশীদ জানিয়েছেন, এটা মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত। মৌসুমি বায়ুর সক্রিয় প্রভাবের কারণে চট্টগ্রামের অধিকাংশ এলাকায় অস্থায়ী দমকা বাতাসের সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত এবং বজ্রপাতসহ ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে চট্টগ্রাম নদীবন্দরকে ১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আর মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় বাতাসের গতিবেগ ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে।
বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হয়। শুক্রবার সকাল থেকে সূর্যের দেখা মেলেনি। দুপুরের দিকে ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয়। এতে শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিদের বিপাকে পড়তে হয়। তবে বিকেলের দিকে বৃষ্টিপাত কিছুটা কমে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে নগরীর অনেক নিচু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে নগরীর ষোলশহর দুই নম্বর গেট, কাপাসগোলা, বাকলিয়া, হালিশহরসহ বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়। মূলত বৃষ্টির পানি খাল ও নালা হয়ে বেরিয়ে যেতে না পারায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বড় একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজের সুবিধার্থে অনেক নালা ও খালে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেক বাঁধ সরিয়ে না নেওয়ায় পানি নেমে যেতে পারছে না।
- বিষয় :
- বৃষ্টি
- বৃষ্টিপাত
- চট্টগ্রাম
- পানিবন্দি
- ভারি বৃষ্টিপাত