ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১৫ সরকারিতে ১৪% কোটা

বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১৫ সরকারিতে ১৪% কোটা
×

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ১১:৫৫

| প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের সরকারি ও বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিতে নতুন কোটা পদ্ধতি চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি বিদ্যালয়ে ১৪ শতাংশ এবং বেসরকারি বিদ্যালয়ে ১৫ শতাংশ কোটা রাখার বিধান রেখে ভর্তি নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে এ নীতিমালা অনুযায়ী আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মাউশি সূত্র জানায়, খসড়া ভর্তি নীতিমালা এরই মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নীতিমালায় বিভিন্ন শ্রেণিতে লটারি ও ভর্তি পরীক্ষার পাশাপাশি কোটা পদ্ধতির বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পর্যালোচনার পরে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।

খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি বিদ্যালয়ে মোট ১৪ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, যমজ শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ এবং সহোদর ভাইবোনের জন্য ৩ শতাংশ কোটা থাকবে। এ ছাড়া সরাসরি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব রয়েছে।
বেসরকারি বিদ্যালয়ে একইভাবে ১৪ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সঙ্গে লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিশুদের জন্য অতিরিক্ত ১ শতাংশ কোটা রাখা হতে পারে। এসব শিশুকে মূলধারার শিক্ষায় সম্পৃক্ত করতে নিকটস্থ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে এ কোটা রাখা হচ্ছে।

ঢাকায় ক্যাচমেন্টে ৪০ শতাংশ আসন
রাজধানীর সরকারি বিদ্যালয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা বহাল থাকছে। পরিবারের সঙ্গে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের নিজ এলাকার কাছাকাছি বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দিতে ঢাকা মহানগরের সরকারি বিদ্যালয়গুলোর ৪০ শতাংশ আসন ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। 
মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল সমকালকে বলেন,  মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, যমজ এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আগের কোটা রাখা হয়েছে। তবে সহোদর কোটা বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 

আরও পড়ুন

×