ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

ফুটপাতে হাঁটতে গিয়ে বিড়ম্বনা

ফুটপাতে হাঁটতে গিয়ে বিড়ম্বনা
×

খাদিজাতুল খোরশেদ খুশি

প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৭:১০

| প্রিন্ট সংস্করণ

ফুটপাত দখল করে অন্য কাজে তা ব্যবহার করা এ দেশে নতুন কিছু নয়। বড় শহর থেকে ছোট শহর–সব জায়গায় ফুটপাত দখল হয়ে রয়েছে। ফুটপাত দিয়ে পথচারী হাঁটতে গেলে হাঁটার রাস্তা পাওয়া কঠিন এখন। সবচেয়ে বেশি ফুটপাত দখল হয় হকারদের মাধ্যমে। ফুটপাতগুলো দখল করে হকাররা বসে নানান দোকান নিয়ে। ফুটপাতে জামাকাপড়ের দোকান, চায়ের দোকান, খাবারের দোকান, জুতা, প্রসাধনী ও ইলেকট্রনিক সামগ্রীর দোকান দেখা যায়। তবে জামাকাপড়ের দোকানই বেশি দেখা যায়। এমনকি ওভারব্রিজ দখল করেও দোকান নিয়ে বসে হকাররা। সেই দোকানগুলো থেকে ক্রেতারা জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে গেলে রাস্তা আরও দখল হয়ে যায়। অন্যদিকে পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাণিজ্যিক যানবাহন যেমন রাস্তার পাশে রাখা হয়, তেমনি মোটরবাইক, সাইকেল ইত্যাদি ফুটপাতে রাখা হয়। এতে রাস্তা অর্ধেক বন্ধ হয়ে থাকে। এতে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং এটি পথচারীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচলে বাধা দেয়। ফুটপাত দখল করে নির্মাণসামগ্রী রাখার দৃশ্যও বিরল নয়।

ঢাকা শহরের যানজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে অবৈধভাবে সড়ক ও ফুটপাত দখল। ফুটপাত দখলমুক্ত করার জন্য বিভিন্ন সময় সরকারের পক্ষ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করাও হয়। কিছুদিন পরই অবৈধ শক্তির ছায়ায় সেই ফুটপাত আবার দখল হয়ে যায়। ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার জন্য প্রথমে ফুটপাত থেকে অবৈধ স্থাপনা, দোকানপাট উচ্ছেদ করে প্রতিনিয়ত নজরদারি প্রয়োজন। কর্তৃপক্ষ নিয়মিত নজরদারি করলে পুনরায় ফুটপাত দখলের সুযোগ হবে না। তা ছাড়া ফুটপাত দখল করলে দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও জরিমানা করা প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখার ক্ষেত্রে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন তৎপর হোক। অন্যদিকে হকারদের বেচাকেনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো স্থান ঠিক করে দিলে তারা আর ফুটপাত দখল করতে আসবে না। 

খাদিজাতুল খোরশেদ খুশি: শিক্ষার্থী, ইডেন মহিলা কলেজ।

আরও পড়ুন

×