ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: ৪ জনকে আসামি করে চার্জশিট

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: ৪ জনকে আসামি করে চার্জশিট
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২০ | ০১:৪১ | আপডেট: ১৬ জানুয়ারি ২০২০ | ০১:৫৭

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় চারজনকে আসামি করে এবং ২৫ জনকে অব্যহতি দিয়ে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

বৃহস্পতিবার এই চার্জশিট জমা দেওয়া হয়। উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলাটির সুষ্ঠু তদন্ত করে পিবিআই। 

ত্রিশ বছর পর তদন্তে বেরিয়ে আসে সগিরা মোর্শেদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

গত বছরের ১০ নভেম্বর মামলার সন্দেহভাজন আসামি আনাছ মাহমুদ ওরফে রেজওয়ানকে (৫৯) ঢাকার রামপুরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১২ নভেম্বর ডা. হাসান আলী চৌধুরী (৭০) ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিনকে (৬৪) ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য মোতাবেক ১৩ নভেম্বর মো. মারুফ রেজাকে (৫৯) বেইলি রোডের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে সগিরা হত্যায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন। 

তবে এর আগে তদন্তকারী কর্মকর্তা মিন্টু নামে এক ছিনতাইকারীকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছিলেন, এজন্য তার নামও চার্জশিটে রাখা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডে মিন্টুর কোন সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই বিকেল পাঁচটার দিকে মোসাম্মৎ সগিরা মোর্শেদ সালাম (৩৪) ভিকারুননিসা স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণী পড়ুয়া মেয়ে সারাহাত সালমাকে (৮) আনতে যান। স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্রই অজ্ঞাতনামা দুষ্কৃতিকারীরা তার হাতে থাকা স্বর্ণের বালা টেনে খুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। বালা নিতে না পেরে সগিরার কাছে থাকা হাতব্যাগ নেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দিলে ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তাকে গুলি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সগিরার মৃত্যু হয়। 

এ ঘটনায় সগিরার স্বামী আব্দুস ছালাম চৌধুরী বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি খুনের মামলা দায়ের করেন। মামলার আলামত হিসেবে সগিরার হাতে থাকা স্বর্ণের বালা ও হাতব্যাগ জব্দ করা হয়। 

১৯৯০ সালে ডিবির পরিদর্শক আব্দুল জলিল শেখ ছিনতাইকারী মিন্টুর বিরদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। আদালতে মামলার চার্জশিটের সঙ্গে আলামত হিসেবে স্বর্ণের বালা, হাতব্যাগ, গুলির খোসা ও পোস্টমর্টেম রিপোর্ট দেন।

আরও পড়ুন

×