শিবির নেতা হত্যা
গাইবান্ধায় বিক্ষোভ, যুবদলকর্মীসহ মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬ | ০৮:৫১ | আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬ | ০৯:৪৩
| প্রিন্ট সংস্করণ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারী হত্যার ঘটনায় গতকাল সোমবার দুপুরে মামলা হয়েছে। মামলায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা মোখলেছুর রহমান মুকুলসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ যুবদলকর্মীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে সাইফুল্লাহ হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রশিবির। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় গাইবান্ধা পৌর পার্কের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রতিবাদ সমাবেশ হয়। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সাইফুল্লাহ বারী হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও মূল অভিযুক্তসহ অন্যরা পলাতক। দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের পরপরই গাইবান্ধা জেলা যুবদলের সভাপতি রাগিব হাসান চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক ভুট্টো স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুলকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এলাকাবাসী জানান, সাইফুল্লাহর মৃত্যুর পর রোববার রাত ৮টার দিকে বোনারপাড়া ইউনিয়নের বাটি গ্রামে মুকুলদের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।
সাঘাটা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পবিত্র কুমার জানান, এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ ছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১৪ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। এর আগে রোববার রাতে দুজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন যুবদলকর্মী আশরাফ খন্দকার ও সন্দেহভাজন মোফাজ্জল হোসেন। দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মূল আসামিসহ অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
- বিষয় :
- গ্রেপ্তার
- শিবির
- হত্যা
- গাইবান্ধা
- যুবদল নেতা
