ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

প্রতিবেশী / ব্যতিক্রম পশ্চিমবঙ্গেও গেরুয়া উপাখ্যান?

এই পরিবর্তনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ধর্মীয়ভিত্তিতে রাজনৈতিক মেরুকরণ। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের পেছনে জাতীয় পর্যায়ের পরিচয়ের বয়ান কাজে লেগেছে। এখানে লক্ষণীয় বিষয় শুধু মেরুকরণই নয়, বরং নির্বাচনের ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা। নির্বাচনে কে জিতবে তা কেবল শাসনব্যবস্থা বা নীতির প্রশ্ন নয়, বরং এটি সভ্যতা প্রশ্নেও পরিণত হয়েছে। এই নতুন কাঠামোতে রাজনৈতিক সংহতির পুরনো মানদণ্ড, তথা শ্রেণি সংহতি, ভাষাগত পরিচয় এবং আঞ্চলিক গৌরব ইত্যাদি সর্বব্যাপী এক বয়ানের মাধ্যমে অপসারিত হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক গোষ্ঠীও সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় মাপকাঠিতে সামনে আসছে।

আপডেটঃ ০৪ মে ২০২৬ | ১৬:০৯
ব্যতিক্রম পশ্চিমবঙ্গেও গেরুয়া উপাখ্যান?

প্রতিবেশী / পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আধিপত্যে বাংলাদেশের জন্য বার্তা

নির্বাচনকে ঘিরে নানা অভিযোগ উঠেছে। এসআইআর (সিস্টেমেটিক ইলেকটোরাল রোল) করে এক কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া, লজিক্যাল ডিস্ক্রিপ্যান্সির নামে ২৫ লাখ ভোটারকে ভোট দিতে না দেওয়া, নির্বাচনী এলাকাগুলোতে আড়াই থেকে পৌনে তিন লাখ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, ৬৫০ পুলিশ কর্তা ও আমলার বদলি, এবং গণনাকেন্দ্রে ভার প্রধানত কেন্দ্রীয় সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থার কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া— এসব অভিযোগ ভোটের স্বচ্ছতা এবং সংবিধানিক মানদণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে বলে অনেকে মনে করছেন। যদিও এখন পর্যন্ত এই ভোটের স্বচ্ছতা ও অভিযোগ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বটে, তবে প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি ও আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে। 

আপডেটঃ ০৪ মে ২০২৬ | ১৬:০৩
পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির আধিপত্যে বাংলাদেশের জন্য বার্তা